এবছর দূর্গা ঠাকুর ভাসান ঘিরেও থাকছে বেশ কিছু বিধি-নিষেধ
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: আজ শুভ বিজয়া। শাস্ত্র মেনে পুজোর শেষও কলকাতায় থেকে যায় ঠাকুর দেখার রেশ। প্রতি বছর মেগা কার্নিভালের আয়োজনও করে রাজ্য সরকার। তবে এবারের পরিস্থিতিতে অন্যরকম। করোনা পরিস্থিতির জেরে রেড রোডে বাতিল সেই কার্নিভাল। জানা গিয়েছে, এবছর প্রতিমাগুলি বিসর্জনের জন্যে মণ্ডপ থেকে সরাসরি গঙ্গার ঘাটে নিয়ে যাওয়া হবে। পাশাপাশি থাকছে ভাসান ঘিরেও বেশ কিছু বিধি-নিষেধও।
সূত্রের খবর, আজ দশমী থেকে শুরু হয়ে ভাসান চলবে আগামী ২৯ তারিখ পর্যন্ত। এবার করোনা বিধির কথা মাথায় রেখেই একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলে খবর। যার মধ্যে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে সামাজিক দূরত্ববিধির উপর। সেই কারণেই বিসর্জনে রাশ টেনেছে লালবাজার।
লাল বাজারের সূত্রে খবর, এবছর একাধিক নিয়মাবলী পালন করতে হবে উদ্যোক্তাদের। প্রতি বছর রাস্তার ধারে মানুষের ভিড় করে ঠাকুর দেখার জন্য। এবছর তা বন্ধ থাকছে। পাশাপাশি কোনও ব্যক্তিগত গাড়ি ঠাকুরের গাড়ির সঙ্গে যেতে পারবে না। সকল বারোয়ারির পুজোর ক্ষেত্রেই এই নিয়ম বহাল থাকছে। বন্ধ থাকছে অতিরিক্ত লাইট, কোনও বাজনা বা ডিজে লাগিয়ে নাচও।
শুধুমাত্র প্রতিমা কয়েকটি গাড়ি করে নিয়ে যেতে হবে নির্দিষ্ট ঘাটে। থাকতে পারবেন পুজো কমিটির সর্বাধিক ৫ জন সদস্য। কোনও রকমের ঝুঁকি এড়াতে তাই আগে থেকেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সব বারোয়ারিকে। অন্যদিকে বিসর্জন ঘাটেও থাকছে কড়া নিরাপত্তা। গঙ্গার পারে থাকা একাধিক ঘাটে চলবে প্রতিমা বিসর্জনের কাজ। থাকছে কড়া পুলিশি প্রহরা।
কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিদর্শনের পর প্রাথমিকভাবে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ১৫টি ঘাটকে বিসর্জনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রতিবারের মতো ঘাটগুলিতে থাকছে পর্যাপ্ত আলো। পাশাপাশি থাকছে ফুল-বেলপাতা-সহ অন্য সামগ্রী ফেলার আলাদা জায়গা। পুজো কমিটির ৫ জনের বেশি সদস্য ঘাটে প্রবেশ করতে পারবেন না বলেও জানিয়েছে পুরসভা কর্তৃপক্ষ।

